ggisc.syl@gmail.com
+8801755 592295

লালাবাজার দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ

লালাবাজার, দক্ষিণ সুরমা, সিলেট

প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস

প্রথম পাতা প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস

গোড়াপত্তন ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

সিলেট বিভাগের সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত লালাবাজার দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ একটি প্রাচীন, ঐতিহ্যবাহী ও যুগোপযোগী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১৯১৫ সালে স্থানীয় শিক্ষার আলো ছড়াতে এবং সমাজ গঠনমূলক উদ্যোগ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়।

“Quality Education for Better Future”—এই মহান প্রত্যয় ও মূলমন্ত্রকে ধারণ করে প্রতিষ্ঠানটি আগামী দিনের নেতৃত্ব সৃষ্টির পথে দীর্ঘ এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে আলোকবর্তিকা হিসেবে ভূমিকা পালন করে চলেছে।

প্রতিষ্ঠানের সূচনালগ্নে ১৯১৫ সালে লালাবাজার, দক্ষিণ সুরমা ও এর আশপাশের অঞ্চলের শিশু-কিশোরদের জন্য একটি মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও সুধীসমাজ গভীরভাবে অনুভব করেন। একটি জাতির প্রকৃত উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন আধুনিক, বিজ্ঞানমনস্ক ও নৈতিকতাভিত্তিক শিক্ষা—এই লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি আত্মপ্রকাশ করে।

সম্মিলিত প্রয়াস

স্থানীয় সুধী ও শিক্ষানুরাগী সমাজ

মূল লক্ষ্য

গুণগত ও নৈতিক শিক্ষা

সাফল্যের কালপঞ্জি

১৯১৫

প্রতিষ্ঠানের শুভসূচনা

দক্ষিণ সুরমা ও লালাবাজার এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠানটি গড়ে ওঠে। লক্ষ্য ছিল এমন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে শিক্ষার্থীরা শুধু পাঠ্যপুস্তকভিত্তিক জ্ঞান অর্জন করবে না; বরং নৈতিক মূল্যবোধ ও সৃজনশীল চিন্তাশক্তি লাভের সুযোগ পাবে।

বর্তমান

আস্থা ও সাফল্যের অগ্রযাত্রা

দীর্ঘ পথচলায় শিক্ষার গুণগত মান, শৃঙ্খলা এবং সাফল্যের মাধ্যমে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে এলাকার শিক্ষা প্রসারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখে চলেছে।

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিদ্যালয়টি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও আধুনিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। পাঠদান পদ্ধতিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, সহশিক্ষা কার্যক্রম, নৈতিক শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিত্ব বিকাশের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। ভবিষ্যতেও সুশিক্ষার আলোক বিস্তারের মাধ্যমে একটি আলোকিত, দক্ষ ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গড়ে তোলাই আমাদের অঙ্গীকার।